ই-পেপার মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম: ভৈরবে কোটা আন্দোলনকারী ও র‌্যাব-পুলিশের সংঘর্ষ, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ        বিহারে বিদ‍্যুতের তারে তাজিয়া, বিদ‍্যুৎস্পৃষ্ট ২৪       ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ চলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ        পাটের সোনালী আঁশে লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা        ঢাকাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন       কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জাতিসংঘের উদ্বেগ       গ্রাম আদালতের বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে, কমছে হয়রানী-জটিলতা      




পড়তে বসলেই ঘুম পায় কেন?
সোহরাওয়ার্দী কলেজ সংবাদদাতা
Published : Sunday, 23 June, 2024 at 3:52 PM
পড়তে বসলে ঘুম পায় না এমন মানুষ খুব কমই আছে। এমনও হয় যে সারাদিন ঘুমের দেখা নেই কিন্তু যখনই বই খুলে পড়তে বসলেন, তখনি কোথা থেকে যেন এক রাজ্যের ঘুম এসে চোখে ভিড় জমায়। ছাত্রজীবনে পড়তে বসে ঘুম আসেনি এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন। পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়ার ফলে পরীক্ষায় খারাপের রেকর্ডও আছে অনেকের। তবে কেউই চায় না এই বিরক্তিকর পরিস্থিতির স্বীকার হতে। আবার অনেকে পরীক্ষার আগে সারারাত জেগে পড়াশোনা করে।

এদিকে ছেলেবেলায় পড়তে বসে ঘুমিয়ে পড়ার স্মৃতি কম-বেশি সবারই আছে। এটি যে শুধু শিশুদের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে এমনটা নয় বরং বড়দের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটে থাকে। কখনো কি আপনার মনে প্রশ্ন জেগেছে, কেন পড়তে বসলে ঘুম পায়? বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে রক্ষা পেতে যেসব টোটকা অবলম্বন করা যায়, সেগুলোই করা উচিত। না হয় এই সমস্যা স্মৃতিশক্তিরও শত্রু হয়ে উঠতে পারে। 

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক কেন পড়তে বসলে ঘুম পায়? 
আসলে লেখাপড়ার সময় আমাদের চোখের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে। ফলে চোখের পেশী ক্রমশ শিথিল হতে শুরু করে। মস্তিষ্ক অল্প সময়ের জন্য পরিশ্রম করতে চায় না। এসময়ে আমাদের ঘুম পায়।

পড়তে বসে ঘুমিয়ে পড়ার আরেকটি কারণ হলো এসময় আমাদের শরীরের বেশিরভাগ অংশই শিথিল থাকে। শুধুমাত্র চোখ এবং মস্তিষ্ক কাজ করে। এমন অবস্থায় মাংসপেশী শিথিল হতে শুরু করে এবং ঘুম আসে। এজন্যই বিশেষজ্ঞরা পড়ার জন্য এক ভঙ্গিতে বসার পরামর্শ দেন। আমাদের শরীর যখন শিথিল হয়ে পড়ে তখন নিদ্রাভাব চলে আসে। এমনটা যে কেবল পড়াশোনার সময় হয় তা হয়। চলন্ত যানবাহনেও একই কারণে আমাদের ঘুম পায়।

ঘুমের এই সমস্যা এড়াতে যা করণীয়:
পড়াশোনার জায়গায় ভালো আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। জায়গাটি এমন হওয়া উচিত যেখানে বাইরের বাতাস ও আলো পাওয়া যায়। এতে শরীর সতেজ থাকবে। বিছানায় কখনোই পড়তে বসবেন না। এতে ঘুমের প্রবণতা বাড়ে। চেয়ার-টেবিলে পড়ার অভ্যাস করুন। এতে অলসতা দূরে রাখা যায়। পড়াশুনা শুরু করার আগে হালকা খাবার খান। এতে আলসেমি দূর হবে। এরপরও অতিরিক্ত ঘুম পেলে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ঘুমিয়ে নিন। 

এদিকে এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত বই পড়ে তারা বক্তা হিসেবে ভালো হন, ভালো চিন্তা করতে পারেন, এমনকি তারা মানুষ হিসেবেও ভালো হন। আপনি যদি ইনসোমনিয়ায় (অনিদ্রা) আক্রান্ত হন তাহলে বই হতে পারে আপনার ভালো বন্ধু। কারণ ২০০৯ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর আগে বই পড়লে তা ইনসোমনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে আর আপনার ঘুম আসতে সাহায্য করে। গবেষণায় বলা হয়, মাত্র ছয় মিনিট বই পড়লেই ৬৮ শতাংশ মানসিক চাপ কমে যায়। এই হার এক কাপ চা খেয়ে বা গান শুনে মানসিক চাপ কমানোর চেয়ে বেশি। এর ফলে মন পরিষ্কার হয় আর শরীর ঘুমের জন্য তৈরি হয়।

মনোবিজ্ঞানী ও গবেষক ড. ডেভিড লুইস বিজনেস ইনসাইডারকে বলেন, একটি বই শুধু চিত্তবিনোদন ঘটায় না, বরং আপনাকে চিন্তার জগতে সক্রিয় করে রাখে। বই আপনাকে চেতনার অন্য একটি জগতে নিয়ে যায়।







সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected]